Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
পরীক্ষার সাত মাস পরেও ফল প্রকাশ না হওয়ার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষাক্রম বিষয়ে আলোচনারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক নিউজলেটার বিদ্যাবার্তা’র দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছেতিস্তা নদীতে খনন ও বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীরারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বষের্র ভর্তি-পরীক্ষা আগামী ২০-২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে

হল পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ

অনুধ্যান প্রতিবেদক

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ০৮:৩০ পিএম, ২ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার

হল পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ

হল পরিচ্ছন্নতায় গাফিলতি, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ

নিয়মিতভাবে হলগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন না রাখায় অযত্ন অবহেলায় হলগুলোর সৌন্দর্য আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ময়লাবাহিত নানা রোগের  কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।

হলগুলোতে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ শিক্ষার্থী হলের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় সন্তুষ্ট নয়। তাদের অভিযোগ, হলগুলো যেভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার সেভাবে তা করা হচ্ছে না। বরং কোনোরকমে দায়িত্ব পালন করছে।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী জুয়েল রানা বলেন, ‘সুইপার-ঝাড়ুদাররা কয়েক মিনিটের মধ্যে ঝাড়ু ও পরিষ্কারের কাজ কোনোরকমে শেষ করলেও হলের চেহারা যেমন ছিল তেমনই থাকে। ফলে অপরিষ্কার অবস্থা থেকে নানা রোগ সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের অনেকে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন, তার জন্য হলের অপরিচ্ছন্নতাই দায়ী।’ হবিবুর রহমান হলের শিক্ষার্থী মানিক মিয়া হলের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে বলেন, ‘যদি দায়িত্বশীলতার সাথে পরিষ্কার করা হতো তাহলে বাথরুম বেসিন ও টয়লেটে মরিচা ও শেওলার জন্ম হতো না।’

হলগুলোতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাথরুমে ময়লা প্রায় সপ্তাহ খানেক ধরে জমাট বেঁধে রয়েছে। এছাড়া বারান্দা পরিষ্কার করলেও তার ওপরে রয়েছে দীর্ঘদিনের পুরনো নোংরা মাকড়সার জাল। বেসিন সাফ করলেও বেসিনের নিচে আশপাশে রয়েছে দুর্গন্ধয্ক্তু আবর্জনা। টয়লেট পরিষ্কারের নামে এক বালতি পানি ছুঁড়ে দিলেও শক্ত ময়লা ও দুর্গন্ধ ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়।

হলগুলোর অপরিচ্ছন্নতার পেছনে কারণ খুঁজতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, সুইপার ও ঝাড়ুদারদের সকাল সকাল হল পরিষ্কারের কথা থাকলেও তা না করে তারা ১০টা-১১টার সময়ে ধুলোবালি উড়িয়ে দায়িত্ব সমাপ্ত করে। যা নানা রোগের কারণ হচ্ছে। তাপসী রাবেয়া হলের শিক্ষার্থী বৈশাখী জানান, ঝাড়ুদারদের নজরদারি না করাতে দায়িত্বহীনভাবে দায়িত্ব শেষ করছে।

হলগুলোর এসব অপরিচ্ছন্নতার বিষয়টি হল প্রাধ্যক্ষদের নজরে আনলে তারা বলেন, ‘আগে কেউ এ ব্যাপারে জানায়নি। এখন নজরে আসলো তাই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এ ব্যাপারে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আসাবুল হক বলেন, সুইপার ও ঝাড়ুদারদের গাফিলতি আছে তবে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগী হয়ে তাদের দিয়ে পরিষ্কার করিয়ে নিতে হবে। এমনকি সবার সচেতনতার মাধ্যমে হল পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহম্মদ মিজানউদ্দিন বলেন, অতিদ্রুত হল কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হবে। তিনি আরো বলেন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য সবার মাঝে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।