Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
পরীক্ষার সাত মাস পরেও ফল প্রকাশ না হওয়ার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষাক্রম বিষয়ে আলোচনারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক নিউজলেটার বিদ্যাবার্তা’র দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছেতিস্তা নদীতে খনন ও বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীরারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বষের্র ভর্তি-পরীক্ষা আগামী ২০-২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে

হলগুলোতে বাড়ছে না খাবারের মান

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ০৮:৩৬ পিএম, ২ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার

হলগুলোতে বাড়ছে না খাবারের মান

হলগুলোতে বাড়ছে না খাবারের মান

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হলগুলোতে পরিবেশন করা হচ্ছে নি¤œমানের খাবার। ফলে বাধ্য হয়ে হলের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের আশেপাশে বিভিন্ন দোকানে খাবার খায়। এতে তাদের অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে। কিন্তু এ ব্যাপারে তেমন কোনো উদ্যোগ নেই বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা হল প্রশাসনের।

হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানান, হলের ডাইনিং-ক্যান্টিনগুলোতে নি¤œমানের চালের ভাত দেওয়া হয়। আর প্রতিদিন প্রায় একই তরকারি পরিবেশন করা হয়। প্রতিদিন দুপুর ও রাতে একই ধরনের মাছ, মাংস এবং ডিম সরবরাহ করা হয়। তাও আবার পরিমাণে খুবই কম, যা শিক্ষার্থীদের খাবারের চাহিদা মেটাতে পারে না।

জানা গেছে, নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণে এর আগে খাবারের দাম বাড়ানো হয়। তারপর খাবারের মানের ব্যাপারে কোনো নজর দেওয়া হয় নি। শিক্ষার্থীদের মতে, এই মূল্য ব্যয়সাধ্যের মধ্যে থাকলেও খাবারের মান এতই খারাপ যে, অনেক শিক্ষার্থী ডাইনিংয়ের খাবার একেবারেই খেতে পারেন না। এ কারণে তারা অতিরিক্ত টাকা দিয়ে হলের বাইরে বিভিন্ন খাবারের দোকানে খাবার খেতে বাধ্য হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাজিদ মিঠু বলেন, ‘আমি হলে ওঠার পর কয়েকদিন হলের ডাইনিংয়ে খাবার খেয়েছি। অস্বাস্থ্যকর এবং নি¤œমানের খাবার খেয়ে কয়েকদিনের মধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে ডাইনিংয়ের খাবার বাদ দিয়ে ক্যান্টিন অথবা হলের বাইরের বিভিন্ন খাবারের দোকানে খাবার খাই। এতে আমার সময় যেমন অপচয় হচ্ছে তেমনি অতিরিক্ত অর্থও ব্যয় হচ্ছে।’

শহীদ জিয়াউর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী তৌফিকুর রহমান বলেন, ‘বলে আর লাভ হবে না। এমন নি¤œমানের খাবারের কারণে আমি আর হলের ডাইনিংয়ে খাই না। ডাইনিং কিংবা হল কর্তৃপক্ষকে খাবারের মান উন্নত করার জন্য অসংখ্যবার বলা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে হলের বাইরে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে খাবার খেতে হয়। বাইরে খাবার খেতে আমাদের প্রতিদিন অন্তত ৩০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষকে খাবারের মান উন্নত করার অনুরোধ জানান।

তবে জিয়াউর রহমান হলের ডাইনিংয়ের প্রধান কর্মচারী দেলোয়ার হোসেন বলেন, কিছু ছাত্র আছে যারা সবসময়ই ফাও খায়। এছাড়া অসৎ কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এর চাইতে ভালো মানের খাবার পরিবেশন করা সম্ভব হয় না। হল কর্তৃপক্ষ থেকে আমাদের কোনো বেতন নেই, তাই ব্যবসার কথাও মাথায় রাখতে হয়। খাবারের বিষয়ে হল প্রশাসন কোনো তদারকিও করে না। কোনো ভর্তুকি দেয় না, আমাদের বেতনও কম। আবার একই হলের সুপার ভাইজার শাহ্জাহান বলেন, ডাইনিং ছাত্রদের দায়িত্বে চালানোর কথা, কিন্তু কর্মচারীরা চালিয়ে থাকে। প্রতিনিয়ত হল প্রশাসন ভর্তুকি দেওয়াসহ তদারকি করে থাকেন। যদি কোনো শিক্ষার্থী খাবারের বিষয়ে অভিযোগ করে তাহলে প্রশাসন অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে। কারণ ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থের দিকটাই আমাদের সবার আগে বিবেচনায় থাকে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. একেএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘হলের খাবারের মানের ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এখন তেমন কোনো অভিযোগ নেই। এখন এই মুহূর্তে খাবারের মান বাড়ানো সম্ভব নয়। মান বাড়াতে হলে খাবারের দাম বাড়াতে হবে।’