Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
মার্কেটিং বিভাগে শিক্ষাবৃত্তির জন্য ৫০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মাহবুবুল আলম রাজাবর্ণিল ও বিচিত্র আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নববর্ষ ১৪২৬ উদযাপিত হয়েছেশেষ হলো সপ্তাহব্যাপী ডেটা জার্নালিজম কর্মশালা‘ ডেটা জার্নালিজম ইন নিউজরুম: হাউ টু ইউজ ডেটা ফর এ গুড স্টোরি‘ কর্মশালার পঞ্চম দিনে শিক্ষার্থীরা অনলাইন সংবাদ-সাইট থেকে ডেটা সংগ্রহ, ডেটা তৈরি এবং সে ডেটা আবার নতুন রূপে উপস্থাপন করার কৌশল শিখেছেন

রাবি সৌন্দর্য: প্রতিদিন নতুন করে দেখি

অনুধ্যান প্রতিবেদক

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ১০:৫২ পিএম, ২ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার

রাবি সৌন্দর্য: প্রতিদিন নতুন করে দেখি

রাবি সৌন্দর্য: প্রতিদিন নতুন করে দেখি

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাজশাহী বিশ্ববিদালয়। ১৯৫৩ সালে স্থাপিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে বিখ্যাত ভাস্করদের নকশায় নির্মিত অপরূপ সব স্থাপত্য। শুধু ইট-কাঠ-পাথরের ভবনই নয়, এখানে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন ফুল, হরেক রকম পাখি, বিরল প্রজাতির গাছ আর বিচিত্র প্রাণীর সমারোহ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হতে প্রতিদিনই এখানে ছুটে আসে অসংখ্য মানুষ।

সাবাস বাংলাদেশ

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশমুখেই চোখে পড়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটি। ভাস্কর নিতুন কুন্ডুর নকশায় নির্মিত এই ভাস্কর্যটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করে হাতের বাম দিকে অবস্থিত।



প্রশাসন ভবন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক পেরিয়ে বৃক্ষশোভিত প্রশাসন ভবন। ঔপনিবেশিক আমলে নির্মিত এই ভবনটিতে উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ  বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য দপ্তর অবস্থিত।



প্যারিস রোড

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া সব শিক্ষার্থীর কাছেই আকর্ষণীয় ও সৌন্দর্যমন্ডিত এই প্যারিস রোড। দুই ধারে আকাশচুম্বী গগন শিরিষ গাছগুলো যেন বছরের পর বছর ধরে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে আছে। কথিত আছে, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস থেকে আনা হয়েছিল এই গাছগুলো। আর একারণে রাস্তাটির নাম প্যারিস রোড।



স্মৃতিসৌধ

একাত্তরের জাতীয় মুক্তিসংগ্রামে নিহত শহীদদের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত এই স্মৃতিসৌধটি ১৯৭২ সালে নির্মিত হয়েছে।



বধ্যভূমি স্মৃতি স্তম্ভ

১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বহু লোককে হত্যা করে। এখানে তাদের গণকবর দেয়া হয়। নিহতদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছে বধ্যভূমি স্মৃতি স্তম্ভ।



চলতি পথে ক্ষণিকের জন্য হলেও পথিকের চোখ আটকে দেয় ক্যাম্পাসের এরকম হাজারো দৃষ্টিনন্দন ফুল।



‘ঐখানেতে বাস করে কানাবগীর ছা…’



স্ফুলিঙ্গ

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে নিহত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ড. সামসুজ্জোহা স্মরণে ‘স্ফুলিঙ্গ’ ভাস্কর্যটি নির্মিত।

মুক্তিযুদ্ধে নিহত গণিত বিভাগের শিক্ষক হবিবুর রহমান স্মরণে নির্মিত ‘বিদ্যার্ঘ’ ভাস্কর্য। শহীদ হবিবুর রহমান হলের সামনে এটি অবস্থিত।

‘…তবে যে ভারী লেজ উঁচিয়ে পুটুস-পাটুস চাও’

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ভেতরের পুকুর। শিক্ষার্থীদের কিছু আবাসিক হলের পুকুরে রয়েছে এরূপ শানবাঁধানো ঘাট যেখানে অবসর সময়ে অনেক শিক্ষার্থীই মাছ ধরে।

বাংলো বাড়ির আদলে নির্মিত শিক্ষকদের আবাসিক ভবনগুলো। পাখির কলরব আর বিচিত্র বৃক্ষরাজিতে ঘেরা এই ভবনগুলো।

‘নীল দিগন্তে ওই ফুলের আগুন লাগল…’।

‘কে আসিছে বলে চমকিয়ে চাই কাননে ডাকিলে পাখি…’

বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের পাশে দিয়ে চলে গেছে সবুজে ঘেরা এই রেলপথটি।