Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
পরীক্ষার সাত মাস পরেও ফল প্রকাশ না হওয়ার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষাক্রম বিষয়ে আলোচনারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক নিউজলেটার বিদ্যাবার্তা’র দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছেতিস্তা নদীতে খনন ও বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীরারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বষের্র ভর্তি-পরীক্ষা আগামী ২০-২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে

রাবিতে বেপরোয়া যানবাহন চলাচল, ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

অনুধ্যান প্রতিবেদক

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ০৯:১৬ পিএম, ২ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার

রাবিতে বেপরোয়া যানবাহন চলাচল, ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

রাবিতে বেপরোয়া যানবাহন চলাচল, ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে বিধি-নিষেধের তোয়াক্কা না করে বেপরোয়াভাবে চলছে যানবাহন। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ার পাশাপাশি, যানবাহনের উচ্চশব্দে নষ্ট হচ্ছে শিক্ষার স¦াভাবিক পরিবেশ। যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যানবাহনে কর্তৃপক্ষের স্টিকার লাগানো বাধ্যতামূলক হলেও বেপরোয়াভাবে চলাচলকারী মোটরসাইকেলে তা নেই। স্টিকারবিহীন যানবাহন এখানে অবাধে চলাচল করছে। ক্যাম্পাসের প্যারিস রোড, প্রথম বিজ্ঞান ভবনের সামনে থেকে টুকিটাকি হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল, পশ্চিমপাড়া থেকে তৃতীয় বিজ্ঞান ভবন, শহীদ হবিবুর রহমান হলের সামনে দিয়ে স্টেশন বাজারসহ ক্যাম্পাসের অন্যান্য সড়ক দিয়ে সারাদিনই শিক্ষার্থীরা চলাচল করেন। এসব সড়কে বেপরোয়া গতিতে চলছে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা। শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, কিছু ছাত্রনেতা ও তাদের সংগঠনের কর্মীরা ক্যাম্পাসে দ্রুত গতিতে বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালিয়ে থাকেন। এছাড়া বহিরাগতরাও মাঝে-মধ্যেই ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালান। তাই স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজ মিশু বলেন, ‘্্ক্যাম্পাসে চালকেরা ইচ্ছেমতো যানবাহন চালান। মোটরসাইকেল চালকেরা বেশি বেপরোয়াভাবে চালিয়ে থাকেন। প্রভাবশালী ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা উচ্চস্বরে হর্ন বাজিয়ে প্রতিদিনই দ্রুত গাড়ি চালান। ফলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আর উচ্চস্বরে হর্ন বাজানোর কারণে ক্যাম্পাসে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। দুর্ঘটনা এড়াতে ও শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখার জোর দাবি জানান তিনি। শুধু তিনি নন, আরো অনেক শিক্ষার্থী একই দাবি জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তুহিন ইসলাম জানান, ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত যানবাহনের অবাধ বিচরণে শিক্ষার্থীদের রাস্তা পারাপারেও অসুবিধা হচ্ছে। কারণ রাস্তা পারাপারের সময় একটু অসতর্ক হলেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাছাড়া ক্যাম্পাসে মোটর সাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের অবাধ বিচরণের ফলে বহিরাগতদের উপদ্রব বেড়ে যাচ্ছে। এমনকি এখানে চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের প্রবণতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যায়ের প্রক্টর প্রফেসর ড.তারিকুল হাসান বলেন, ‘মোটরসাইকেল নিয়ে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশের ক্ষেত্রে গার্ডদের কঠোরভাবে নির্দেশনা দেওয়া আছে। কিন্তু বিনোদপুর ও স্টেশন বাজার গেট খোলা থাকায় ক্যাম্পাসে মোটরসাইকেল নিয়ে বহিরাগতদের প্রবেশ রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না’।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ক্যাম্পাসে বেপরোয়া যান চলাচল ও স্টিকারবিহীন মোটরসাইকেল চলাচল রোধে মাঝে-মধ্যে অভিযান চালাই। আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি যাতে এখানে যানবাহনের অবাধ বিচরণ রোধ করা যায়’।