Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
মার্কেটিং বিভাগে শিক্ষাবৃত্তির জন্য ৫০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মাহবুবুল আলম রাজাবর্ণিল ও বিচিত্র আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নববর্ষ ১৪২৬ উদযাপিত হয়েছেশেষ হলো সপ্তাহব্যাপী ডেটা জার্নালিজম কর্মশালা‘ ডেটা জার্নালিজম ইন নিউজরুম: হাউ টু ইউজ ডেটা ফর এ গুড স্টোরি‘ কর্মশালার পঞ্চম দিনে শিক্ষার্থীরা অনলাইন সংবাদ-সাইট থেকে ডেটা সংগ্রহ, ডেটা তৈরি এবং সে ডেটা আবার নতুন রূপে উপস্থাপন করার কৌশল শিখেছেন

মশার উৎপাতে ভোগান্তি বেড়েছে

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ০৬:৪৭ পিএম, ৪ এপ্রিল ২০১৯ বৃহস্পতিবার

মশার উৎপাতে ঠাঁই মশারির ভেতরে

মশার উৎপাতে ঠাঁই মশারির ভেতরে

আলী ইউনুস হৃদয়: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মশার বিড়ম্বনায় ভোগান্তি বাড়ছে। ড্রেন-নর্দমা অপরিষ্কার থাকায় এবং নিয়মিত কীটনাশক ব্যবহার না করায় মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে পড়াশোনসহ স্বাভাবিক কার্যক্রম চালাতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিড়ম্বনায় পড়ছেন ।

 শিক্ষকদের আবাসিক এলাকা ও হলগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। ক্যাম্পাসের আবাসিক এলাকায় বসবাসরত কয়েক জন শিক্ষকের মতে, আবাসিক এলাকা ও হলগুলোর চারপাশের জঙ্গল ও ড্রেন পরিষ্কার না করায় মশা সহজেই বংশবিস্তার করতে পারছে। আর নিয়মিত কীটনাশক প্রয়োগ না করায় মশার বিস্তার ঠেকানো যাচ্ছে না। এর ফলে মশার আক্রমণে ভোগান্তি বেড়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রহমতুন্নেসা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী তানজুয়ারা তানিয়া পিংকি বলেন, ‘মেয়েদের প্রত্যেকটি হলেই মশার উপদ্রব। সন্ধ্যা নামলেই মশার বিড়ম্বনা বেড়ে যায়। টেবিলে বসে পড়াশোনা করার পরিবেশ নেই। স্বাভাবিক কোনো কার্যক্রম করতে পারছি না। মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে কয়েলের ব্যবহার করতে হচ্ছে। কয়েলের ধোঁয়া ক্ষতিকর হলেও ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু তাতেও সমাধান মিলছে না। এতে করে আমাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে। তারপরও কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না!‘

 ম্যালেরিয়া জ্বরে আক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিরাতুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন হলগুলোতে মশা নিধন কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। ফলে মশার বিড়ম্বনায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। আমি নিজেই মশাবাহিত ম্যালেরিয়া জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে যথাযথ চিকিৎসা সেবা না পেয়ে অন্যত্র চিকিৎসা গ্রহণ করি। পরে কিছুদিনের জন্য বাসায় চলে যেতে হয়েছিল। আশা করছি, শিক্ষার্থীদের বিড়ম্বনা রোধে কর্তৃপক্ষ খুব দ্রুত মশা নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।‘

 বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হোসনে আরা খানম বলেন,‘ রোকেয়া হলের পাশেই আমার বাসা। সেখানকার ড্রেন পরিষ্কার না করায় বিকেলে বারান্দায় এসে দাঁড়াতে পারি না। দিনের বেলায়ও ঘরে মশারি টানিয়ে রাখতে হয়। বসে বিশ্রাম নেয়া যায় না! শিক্ষার্থীরাও হয়ত বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন উদ্যোগ নিলে এই ভোগান্তি থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।‘

 মশার উপদ্রবের বিষয়টি স্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. লায়লা আরজুমান বানু বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে এ বিষয়ে বলেছি। ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। এছাড়া মৌখিকভাবে হল প্রাধ্যক্ষদের ময়লা-আবর্জনা ও ড্রেন পরিষ্কার করতে বলেছি। আমি আবারও মেয়র মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলবো। প্রয়োজনে লিখিতভাবে সিটি কর্পোরেশনকে জানাবো।‘