Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
মার্কেটিং বিভাগে শিক্ষাবৃত্তির জন্য ৫০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মাহবুবুল আলম রাজাবর্ণিল ও বিচিত্র আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নববর্ষ ১৪২৬ উদযাপিত হয়েছেশেষ হলো সপ্তাহব্যাপী ডেটা জার্নালিজম কর্মশালা‘ ডেটা জার্নালিজম ইন নিউজরুম: হাউ টু ইউজ ডেটা ফর এ গুড স্টোরি‘ কর্মশালার পঞ্চম দিনে শিক্ষার্থীরা অনলাইন সংবাদ-সাইট থেকে ডেটা সংগ্রহ, ডেটা তৈরি এবং সে ডেটা আবার নতুন রূপে উপস্থাপন করার কৌশল শিখেছেন

বঙ্গবন্ধু রাজনীতির শিল্পী:জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ০৭:২৭ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০১৯ বুধবার

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড.এম আব্দুস সোবহানসহ শিক্ষকবৃন্দ

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড.এম আব্দুস সোবহানসহ শিক্ষকবৃন্দ

মর্তুজা নুর: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকে অনেকে রাজনীতির কবি বলেন, কিন্তু আমার মনে হয় তিনি রাজনীতির শিল্পী। তিনি যেভাবে একটি দেশকে স্বাধীন করেছেন, সেটা কোনো সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধু হঠাৎ করেই বাংলাদেশ সৃষ্টির পরিকল্পনা করেননি।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের উদ্যোগে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে আজ এসব কথা বলেন তিনি। সংগঠনের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এম মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.এম আব্দুস সোবহান। দুই উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড.আনন্দ কুমার সাহা ও  প্রফেসর ড. চৌধুরী মো. জাকারিয়াসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষকও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

 প্রধান আলোচক প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, ১৯৬৬ সালে যখন আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়, তখন সে অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী সঙ্গীত ছিলো ‘আমার সোনার বাংলা’। যেটা বর্তমানে আমাদের জাতীয় সঙ্গীত। এ রকম আরো অসংখ্য বিষয় আছে যা থেকে বোঝা যায়, বঙ্গবন্ধু একটি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন।

 প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ বলেন, মুজিবনগর সরকার কোনো অবৈধ সরকার ছিল না। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই এ সরকার গঠন করেছিল। ফলে দেশের জনগন তাদের ডাকে সাড়া দিয়েছিল। মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল বলেই আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ অত্যন্ত সুশৃঙ্খল পরিচালিত হয়েছে। যার ফলে আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি।

 এর আগে ঐতিহাসিক এই মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে একটি শোভাযাত্রা বের করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বেলা ১০টায় শোভাযাত্রাটি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

 অনুষ্ঠানে অন্য বক্তারা বলেন, মুজিবনগরে যে সরকার গঠন করা হয়েছিল তা হঠাৎ করে গড়ে ওঠা সরকার নয়। দীর্ঘ দিন ধরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুগামী হিসেবে যারা এদেশের মানুষের জন্য অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করছিলেন, তারাই সেই সরকার গঠন করেছেন। মুজিবনগরের এই সরকার শুধু বিদেশি রাষ্ট্রের সমর্থন আদায়ে কাজ করেনি, তারা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বও দিয়েছে।