Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
মার্কেটিং বিভাগে শিক্ষাবৃত্তির জন্য ৫০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মাহবুবুল আলম রাজাবর্ণিল ও বিচিত্র আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নববর্ষ ১৪২৬ উদযাপিত হয়েছেশেষ হলো সপ্তাহব্যাপী ডেটা জার্নালিজম কর্মশালা‘ ডেটা জার্নালিজম ইন নিউজরুম: হাউ টু ইউজ ডেটা ফর এ গুড স্টোরি‘ কর্মশালার পঞ্চম দিনে শিক্ষার্থীরা অনলাইন সংবাদ-সাইট থেকে ডেটা সংগ্রহ, ডেটা তৈরি এবং সে ডেটা আবার নতুন রূপে উপস্থাপন করার কৌশল শিখেছেন

পিরামিডের শহরে তাঁরা দুজন

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ০৭:৫৯ পিএম, ২৭ মার্চ ২০১৯ বুধবার

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুরুষ সুলতান কোসেন ও সবচেয়ে খাটো নারী জ্যোতি আমেজ

বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা পুরুষ সুলতান কোসেন ও সবচেয়ে খাটো নারী জ্যোতি আমেজ

হুসাইন মিঠু: মিশরের বিখ্যাত গীজা পিরামিডের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন দুজন। একজনের মাথা পিরামিড ফুঁড়ে আকাশ ছুঁই ছুঁই করছে। অপরজন মিশে আছেন মাটির সাথে, মাটি থেকে মাত্র দুই ইঞ্চি উপরে তাঁর মাথার অবস্থান। একটু ভাবুন তো! কেমন দেখাবে বিষয়টি?

এমন দৃশ্য যেন জোনাথন সুইফেটের বিখ্যাত উপন্যাস ‘গালিভার ট্রাভেলস’ এর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। ঘটনা দাঁড়িয়েছে ঠিক তেমনি। একজন বর্তমান বিশ্বের সব চেয়ে লম্বা পুরুষ,  আরেকজন সব চেয়ে খর্বকায় নারী। তাঁরা এসেছেন ফটোস্যুট করতে। জিও টিভির রিপোর্টে এমনটিই দেখানো হয়েছে।

৮.২৮ ফুট লম্বা সুলতান কোসেন তুরস্কের নাগরিক। আর ভারত থেকে আসা জ্যোতি আমেজের উচ্চতা মাত্র দুই ফুট ছয় ইঞ্চি। নিজ নিজ দেহাকৃতির জন্য ইতোমধ্যেই গিনেস বুকে তাদের নাম উঠেছে। মজার বিষয় হলো ̶ পিরামিডের সামনে এমন লম্বা-খাটোর সমাহার ঘটানোর দায়িত্ব নিয়েছে মিশর ট্যুরিজম প্রমোশন বোর্ড। উদ্দেশ্য  ̶  কোসেন আর জ্যোতির ফটোস্যুট করা। তবে নিছক বিশ্ববাসীকে মজা দেয়ার জন্য নয়, মিশরের পর্যটন শিল্পকে আরো সমৃদ্ধ করতেই তাদের এই আয়োজন।

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকর্ডস-এ এখন পর্যন্ত ৮ ফুটের উপরে ১০ জন পুরুষের নাম উঠেছে। চীনের ইং সাংকে টপকে কোসেন এই নতুন রেকর্ড করেছেন। অপর দিকে জ্যোতি ২০১১ সালে তার ১৮তম জন্মদিনে এই রেকর্ড গড়েন। অবশ্য খর্বকায় হওয়ায় তার ভাগ্য প্রসারিত হয়েছে।  ‘লো শো ডি  রেকর্ড’ নামের একটি অনুষ্ঠানে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছেন তিনি।  

 এই মানব-মানবী ইতোমধ্যে বিস্ময়করভাবে সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছেন। কর্তৃপক্ষের মতে, পিরামিডের সাথে তাঁদের ছবি মিশরের পর্যটন শিল্পে আরো সাড়া জাগাবে। তাই রোদ ঝলমলে একটি দিনকে বেছে নেয়া। তারাও অতি স্বাচ্ছন্দ্যে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন। ছবিতোলার ফাঁকে মেতে উঠলেন খুনশুটিতে। ফারাও মূর্তিগুলো বোধহয় এই দৃশ্য দেখে তখন মুচকি হাঁসছে!