Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
পরীক্ষার সাত মাস পরেও ফল প্রকাশ না হওয়ার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষাক্রম বিষয়ে আলোচনারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক নিউজলেটার বিদ্যাবার্তা’র দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছেতিস্তা নদীতে খনন ও বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীরারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বষের্র ভর্তি-পরীক্ষা আগামী ২০-২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে

দুই দিনব্যাপী ‘চিহ্নমেলা‘ শুরু ১১ মার্চ

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ০৯:১০ পিএম, ৯ মার্চ ২০১৯ শনিবার

সংবাদ-সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন ‘চিহ্ন‘-সম্পাদক প্রফেসর শহীদ ইকবাল

সংবাদ-সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন ‘চিহ্ন‘-সম্পাদক প্রফেসর শহীদ ইকবাল

আহমেদ ফরিদ: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চতুর্থবারের মতো দুই দিনব্যাপী ‘চিহ্নমেলা চিরায়ত বাঙলা‘ শুরু হচ্ছে আগামী ১১ মার্চ। সাহিত্যবিষয়ক ছোটকাগজ ‘চিহ্ন‘র আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ্ কলাভবনের সামনে অনুষ্ঠেয় এবারের মেলায় ভারতের ৩০টি ও বাংলাদেশের ৯৫টি ছোটকাগজ ও পত্রিকার কর্মী-সম্পাদক-লেখক-পাঠকের সম্মেলন ঘটবে।

শনিবার দুপুরে ডিন্স কমপ্লেক্সের শিক্ষক লাউঞ্জে চিহ্ন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সম্পাদক ও মেলার আহ্বায়ক প্রফেসর শহীদ ইকবাল।

মেলার প্রথম দিন সকাল ১০টায় উদ্বোধন ও র‌্যালির মাধ্যমে মেলা শুরু হবে। এরপর থাকবে কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের সভাপতিত্বে প্রভাত চৌধুরীর রবীন্দ্র-তর্পণ। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে বাঙালি জীবনের সাহিত্য‘ বিষয়ে কথা বলবেন প্রভাত চৌধুরী, প্রফেসর সনৎকুমার সাহা, প্রফেসর জুলফিকার মতিন, মহীবুল আজিজ, প্রবাল কুমার বসু, ইমানুল হক, কানাই সেন ও শোয়েব শাহরিয়ার।

প্রথম দিনে আরও থাকছে ‘ছোট প্রকাশনা : সম্ভাবনা ও সমস্যা‘ বিষয়ে আলোচনা, চিহ্ন প্রকাশিত‘ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিচর্চা’ গ্রন্থটির পাঠ উন্মোচন, ‘কবির প্যাথোস ও আজকের কবিতা’ এবং ‘সাহিত্য পাঠের সমাজতত্ত্ব ও ছোট পত্র-পত্রিকা` শীর্ষক কথাশিল্পী দেবেশ রায়ের বক্তৃতা, ‘বিবর্তনের আলোয় সংগ্রহের ইতিহাস-১‘ শীর্ষক বিশেষ প্রদর্শনী। অংশগ্রহণকারী সম্পাদকদের ক্রেস্ট প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে প্রথম দিনে।

কবিতা পাঠ দিয়ে শুরু হবে মেলার দ্বিতীয় দিন। এরপর ‘সাহিত্য ও বিজ্ঞান : দোঁহে অভেদ‘ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিধানচন্দ্র দাসের প্রবন্ধকে কেন্দ্র করে কথা বলবেন ইমেরিটাস প্রফেসর অরুণ কুমার বসাক, প্রফেসর মুহম্মদ নূরুল্লাহ্, প্রফেসর গোলাম কবীর ও প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তার। ‘এই যে আমি চলেছি‘ শিরোনামে প্রবালকুমার বসুর সঙ্গে আড্ডা, ‘গল্পের দোয়েল ফড়িং ও বৈদ্যুতিন মানুষ’ কিংবা এ পর্যন্ত লিটলম্যাগ : বয়ে চলা স্বপ্ন‘ শিরোনামে আলোচনা, আবৃত্তি-সংগঠন ‘স্বনন‘-এর বসন্তের কবিতা পাঠ, বিশেষ প্রদর্শনী ‘বিবর্তনের আলোয় সংগ্রহের ইতিহাস-২‘ অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে চিহ্ন পুরস্কার ও ছোটকাগজ সম্মাননার পর সঙ্গীত পরিবেশন করবে কলকাতার গানের দল ‘মনভাষা‘।

চিহ্নমেলার বিশেষত্ব হিসেবে প্রতিবার সৃজনশীল ও মননশীল শাখায় প্রান্তিক দুজন লেখক-সাহিত্যিকসহ দুই বাংলার ৮টি ছোটকাগজকে সম্মননা প্রদান করা হয়। এবারের আয়োজনে ভারতের ৩টি ও বাংলাদেশের ৫টি ছোটকাগজকে সম্মাননা দেয়া হবে। যাদের মেলায় তাৎক্ষণিক নির্বাচন করা হবে।

এবার সৃজনশীল শাখায় কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার নতুন অন্তরপুর গ্রামের সরকার মাসুদ (১৯৬১) পুরস্কার পাচ্ছেন। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো ‘আবহমান উলুধ্বনি‘ (১৯৮৭), ‘নিভৃতিচর্চা‘(১৯৯১),‘কাচপোকার ঘূর্ণিপোকা‘ (১৯৯৬), ‘নির্বাচিত কবিতা (২০০৭)‘, ‘জঙ্গলের চাবি‘ (২০১৩)। এছাড়া তিনি ৩টি গল্পগ্রন্থ ও প্রবন্ধগ্রন্থ রচনা করেছেন।

মননশীল শাখায় নির্বাচিত হয়েছেন যশোর জেলার কৃষ্ণনগরের হোসেনউদ্দীন হোসেন (১৯৪১)। তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলো হলো, ‘যশোরাদ্য দেশ‘ (১৯৭৪), ‘অমৃত বৈদেশিক‘ (১৯৭৪), ‘ঐতিহ্য আধুনিকতা ও আহসান হাবীব‘ (১৯৮৫), ‘বাংলার বিদ্রোহ‘, ১ম-৩য় খণ্ড (১৯৯০), ‘রণক্ষেত্রে সারাবেলা‘(২০১২), ‘সাহিত্যে চিত্রবিচিত্র‘ (২০১৯), ‘কালান্তরের রূপরেখা‘ (২০১৯)।

উনিশ বছর বয়সী সাহিত্যবিষয়ক ছোটকাগজ ‘চিহ্ন‘ তিন বছর পরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ্ কলাভবন চত্বরে ‘চিহ্নমেলা‘র আয়োজন করে। এতে দেশ-বিদেশের লিটলম্যাগাজিন কর্মী-সম্পাদক-লেখক-পাঠকের সম্মেলন ঘটে। ২০১১ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।