Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
পরীক্ষার সাত মাস পরেও ফল প্রকাশ না হওয়ার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষাক্রম বিষয়ে আলোচনারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক নিউজলেটার বিদ্যাবার্তা’র দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছেতিস্তা নদীতে খনন ও বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীরারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বষের্র ভর্তি-পরীক্ষা আগামী ২০-২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে

টাকা আত্মসাৎ করে কর্মকর্তার পলায়ন!

অনুধ্যান প্রতিবেদক

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ০৮:৩১ পিএম, ২ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার

টাকা আত্মসাৎ করে কর্মকর্তার পলায়ন!

টাকা আত্মসাৎ করে কর্মকর্তার পলায়ন!

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) পরিবহণ দফতরের এক টেকনিক্যাল কর্মকর্তা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুমানিক ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে গা ঢাকা দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলামকে সাময়িক বহিষ্কারও করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল নগরীর বোসপাড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাসের ধাক্কায় মারা যান সুলতান নামের এক যুবক। ঘটনার পর বাসটি আটক করে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। এরপর পুলিশ বাসটির বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে তা দেখাতে পারে নি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দফতর।

এদিকে বাসের বৈধ কাগজ খুঁজে না পাওয়ায় পরিবহন দফতরে তোড়জোড় শুরু হয়ে যায়। এক পর্যায়ে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়ে আসে। পরিবহন দফতরের প্রশাসক প্রফেসর ড. সায়েদুজ্জামান অনুসন্ধান করে জানতে পারেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০টি বাস ও অ্যাম্বুলেন্সসহ ১৮টি গাড়ির কোনোটিরই পথকর, ফিটনেস, ভ্যাট ও  বিমার টাকা নিয়মিত পরিশোধ করা হয় নি। দফতরের অনেকেই ধারণা করছেন, এই কাজের দায়িত্বে থাকা নজরুল ইসলাম গত ২০ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বাসের নবায়ন ও বিমা বাবদ অন্তত ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

এ ঘটনার পর থেকে নজরুল ইসলাম আত্মগোপনে রয়েছেন। তিনি আর অফিসে আসছেন না। তার তালাইমারির বাড়িটিও তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। তার অফিস কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে বেশকিছু ব্লু-বুক ও কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। কিন্তু বাসের অনেক কাগজপত্র না পাওয়ায় তার বাসায় দফতরের কয়েকজন কর্মচারী তল্লাশি চালায়। এ সময় বেশ কিছু কাগজপত্র ও দুটি চেক উদ্ধার করা হয়। ওই চেকের একটি ৬ লাখ ১১ হাজার ৫০০ ও অপরটি ৩৭ হাজার টাকার।

টাকা আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণ পাওয়ায় গত ৬ মে ওই কর্মকর্তাকে পরিবহন দফতর থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পালিয়ে থাকা ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করার প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানান দফতরের প্রশাসক প্রফেসর ড. সাইয়েদুজ্জামান।

পরিবহন দফতরের প্রশাসক অনুধ্যানকে বলেন, ‘আমরা এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারছি না ঠিক কতো টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। ঘটনার পর থেকে ওই কর্মকর্তা পলাতক থাকায় তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখা ও বিআরটিএ-কে লিখিতভাবে জানিয়েছি। তাদের তথ্যগুলো পাওয়ার পরই বলা যাবে ঠিক কতো টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে।’