Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
পরীক্ষার সাত মাস পরেও ফল প্রকাশ না হওয়ার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষাক্রম বিষয়ে আলোচনারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক নিউজলেটার বিদ্যাবার্তা’র দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছেতিস্তা নদীতে খনন ও বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীরারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বষের্র ভর্তি-পরীক্ষা আগামী ২০-২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে

চায়ের সাথে টা, স্ট্রিট ফুডেই মজা

অনুধ্যান প্রতিবেদক

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ১০:০০ পিএম, ২ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার

চায়ের সাথে টা, স্ট্রিট ফুডেই মজা

চায়ের সাথে টা, স্ট্রিট ফুডেই মজা

সিঙ্গাড়া, ডালপুরি, পেঁয়াজু, শিক বার্গার, ফুচকা-চটপটি, মাখানো কাঁচা ফল, বারোভাজা। জিভে জল আসলো? এসেছে? তাহলে চলে আসুন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে, স্বাদ নিন অসাধারণ কিছু স্ট্রিট ফুডের।

এমনই মুখোরোচক কিছু খাবার আর সাথে এক কাপ চা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে  (রাবি)  প্রতিদিনের আড্ডার চিত্র। রাস্তার পাশের চায়ের দোকানগুলো যেন এখানকার প্রাণ। ক্লাসের ফাঁকে একটু আড্ডা, সাথে পেটপুজো

করতে সবার প্রথম পছন্দ এই চায়ের দোকান আর খাবারের দোকানগুলো।

ক্যাম্পাসের রাস্তায় হাটতে হাটতে চোখে পড়ে কাসুন্দি, কাঁচা মরিচ, লবণ আর মশলামাখা কাঁচা আম, পেয়ারা, আমড়া, বাতাবি লেবু দিয়ে সাজানো ভ্যান। কখনও সাথে থাকে জাম, লটকন, বেল, আনারস আরো কত লোভনীয় ফল।

জিভে জল এনে দেয় মাখানো টক-ঝাল ফল।

এসব ফলের ভ্রাম্যমাণ দোকানই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেয় মৌসুমি ফলগুলোর স্বাদ নেওয়ার।

শুধু ফলই নয়, রাস্তার পাশেই দেখা যায় চটপটি-ফুচকার দোকান ঘিরে বন্ধুরা মিলে দলে দলে দাঁড়িয়ে আছে। ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারের সামনে, প্রশাসনিক ভবনের পেছনে, রবীন্দ্র ভবনের পাশে এবং মমতাজ উদ্দিন কলা ভবনের পাশে বসে ফুচকা আর চটপটির দোকানগুলো।

গরম গরম চটপটি আমারও চাই এক বাটি

সমাজকর্ম বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শন্তু বলছিলেন, আসলে আমাদের কম বাজেটের মধ্যে খাবার সারতে হয় বলে এই খোলা দোকানগুলো এত জনপ্রিয়, এরা কম দামে সুস্বাদু খাবার দিতে পারে।

আলাদা করে কালাইয়ের রুটির কথা বলতেই হয়। মুন্নুজান হলের সামনে আর তৃতীয় বিজ্ঞান ভবনের সামনে সিঙ্গাড়া বা হরেক রকমের চপের সাথে একটু পেঁয়াজ-মরিচ আর বিট লবণ নিয়ে বসে পড়া যায় নাস্তা করতে। ক্যাম্পাসের সিরাজি ভবনের সামনে বিকেল বেলায় বসে ভাজা-পোড়ার দোকান। এখানে মিলবে আলু চপ, রসুন চপ, কিমা চপ, ডাল পুরি, আলু পুরি, বেগুনি, ছোলা সহ আরো অনেক রকমের খাবার।

গরম খোলা থেকে সরাসরি থালায় কলাই রুটি


ক্যাম্পাসের অনেক জনপ্রিয় আরেকটি খাবার শিক-বার্গার। সাধারণত শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল, স্টেশন বাজার বা বিভাগের আশেপাশের দোকানগুলোতেই সেরে ফেলেন দৈনন্দিন খাওয়া-দাওয়া। কিন্তু শুধু এই শিক-বার্গারের টানে যেকোনো বিভাগ আর ক্যাম্পাসের প্রান্ত থেকে, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকেও আসেন অনেকে।

ধোয়াদার প্রস্তুতিতে স্বাদের নিমন্ত্রণ

একটি ছোট বনরুটিকে মাঝখান থেকে কেটে ভিতরে শিক কাবাব, তেতুলের টক, মরিচের সস আর শশা কুচি দিয়ে তৈরি হয় রাবির জনপ্রিয় শিক-বার্গার, যার সুগন্ধে ক্লাসে মন দেওয়াও দায়।

রাস্তার দোকানের এই সংস্কৃতি ছাড়া আসলে বিশ্ববিদ্যালয় চিন্তা করা যায় না। বিশ্ববিদ্যালয়য়ের এই কোলাহলময় আড্ডাগুলো আজীবন থাকুক, আড্ডা জমে উঠুক স্ট্রিট ফুডের সাথে।

-হাসান আশরাফুল সজল ও অধরা মাধুরী