Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
মার্কেটিং বিভাগে শিক্ষাবৃত্তির জন্য ৫০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মাহবুবুল আলম রাজাবর্ণিল ও বিচিত্র আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নববর্ষ ১৪২৬ উদযাপিত হয়েছেশেষ হলো সপ্তাহব্যাপী ডেটা জার্নালিজম কর্মশালা‘ ডেটা জার্নালিজম ইন নিউজরুম: হাউ টু ইউজ ডেটা ফর এ গুড স্টোরি‘ কর্মশালার পঞ্চম দিনে শিক্ষার্থীরা অনলাইন সংবাদ-সাইট থেকে ডেটা সংগ্রহ, ডেটা তৈরি এবং সে ডেটা আবার নতুন রূপে উপস্থাপন করার কৌশল শিখেছেন

গণতন্ত্রের পথে মিয়ানমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ০৯:৪০ পিএম, ২ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার

গণতন্ত্রের পথে মিয়ানমার

গণতন্ত্রের পথে মিয়ানমার

মিয়ানমারে ৮ নভেম্বরের ঐতিহাসিক নির্বাচনে গণতন্ত্রকামী নেত্রী অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) ৭৭শতাংশ আসনে জয়লাভ করে। এ নির্বাচনের ফলে গত পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে সেনা সমর্থিত সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের জয় হলো।

দেশটিতে ২৫ বছরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বলে গণ্য করা হচ্ছে। ভোটের দিন বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে ছিল স্বতঃ¯ফুর্ত ও উৎসবমূখর পরিবেশ। দেশে পরিবর্তন আনার স্বপ্ন নিয়ে জনসাধারণ ভোট দিয়েছেন। ভোট কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময় তাদের মুখে হাসি ছিল। নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী ১ হাজার ১৫০ টি আসনের মধ্যে এনএলডি জিতেছে ৮৮৭ টিতে, যা মোট আসনের ৭৭ দশমিক ১ শতাংশ।

১৯৯০ সালের নির্বাচনেও সু চির এনএলডি দল ৮০ শতাংশ আসনে বিজয়ী হয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন সামরিক শাসকেরা সেই ফলাফল মেনে নেননি। ১৯৯০ সালের নির্বাচনের পর সু চিকে গৃহবন্দী করা হয়। পরবর্তী ২০ বছরের বেশির সময় সু চিকে গৃহবন্দী করে রাখা হয়। সেই থেকে ২৫ বছরে ঘটনা অনেক দুর এগিয়েছে। ২০১০ সালে সু চি মুক্তি পান। ২০১১ সালে ইউএসডিপি সামরিক বাহিনীর সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসে মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংস্কার কাজ শুরু করেন।

৮ নভেম্বরের অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সু চির দল এনএলডি’র বিপুল বিজয়ের পরেও ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে অনিশ্চিয়তা কাটে নি। তবে সাবেক প্রেসিডেন্ট থেইন সেইন অকপটে বলেছেন, “ভোটারদের আকাক্সক্ষা আমাদের মেনে নিতে হবে। তবে যিনি দেশের নেতৃত্ব দিন না কেন সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন হলো স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন।”

এছাড়া নির্বাচনে জয়ী হয়েও সু চি দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে পারছেন না সাংবিধানিক বিধিনিষেধের কারনে। মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট পেতে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।