Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
পরীক্ষার সাত মাস পরেও ফল প্রকাশ না হওয়ার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষাক্রম বিষয়ে আলোচনারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক নিউজলেটার বিদ্যাবার্তা’র দ্বিতীয় সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছেতিস্তা নদীতে খনন ও বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রংপুর বিভাগের শিক্ষার্থীরারাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বষের্র ভর্তি-পরীক্ষা আগামী ২০-২২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে

কার্যত অচল হল গ্রন্থাগার

অনুধ্যান প্রতিবেদক

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ০৮:৪৯ পিএম, ২ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার

কার্যত অচল হল গ্রন্থাগার

কার্যত অচল হল গ্রন্থাগার

শ্রেণিকক্ষ ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের হলেও পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য গড়ে তোলা হয়েছে হলকেন্দ্রীক গ্রন্থাগার। কিন্তু অনুকূল পরিবেশ না থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের হল গ্রন্থাগারগুলোতে পড়াশোনায় তেমন আগ্রহ নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ হল গ্রন্থাগার প্রায় বন্ধ থাকে। হাতেগোনা যেসব গ্রন্থাগার খোলা হয় তা সপ্তাহে দু-একদিন দু-তিন ঘণ্টার জন্য খোলা থাকে। অন্যদিকে যে কয়েকটি গ্রন্থাগার খোলা থাকে তাতে রয়েছে নতুন বইয়ের সংকট। সবমিলিয়ে হল গ্রন্থাগারের দুরবস্থার ফলে শিক্ষার্থীরা গ্রন্থাগার বিমুখ।

মাদার বখ্শ হলের শিক্ষার্থী মিঠুনের কাছে গ্রন্থাগার সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, এ হলের গ্রন্থাগার সপ্তাহে দু’দিন খোলা থাকে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য। আর বাকী দিনগুলোতে বন্ধ থাকে।

অন্যদিকে তাপসী রাবেয়া হলের গ্রন্থাগার সম্পর্কে শিক্ষার্থী আখি আক্তার বলেন, আমাদের গ্রন্থাগার রাতে দু’ঘণ্টার জন্য খোলা থাকে এবং গ্রন্থাগারে গিয়ে পড়ার মত শিক্ষার্থীর সংখ্যা খুব কম।

আমীর আলী হলের গ্রন্থাগার অনেক দিন থেকেই বন্ধ। ফলে অনেক শিক্ষার্থী হল গ্রন্থাগার সম্পর্কে অবগত নয়। অপরদিকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের চিত্র একটু ভিন্ন। হলে গিয়ে দেখা যায় শাহিন নামে ফিন্যান্স এ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের এক শিক্ষার্থী একাকী বসে পড়ছেন। গ্রন্থাগারের কোনো বই পড়ছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বইয়ের আটটি আলমারির মধ্যে তিনটি আলমারিতে কলা অনুষদের এবং বাকীগুলোতে অন্যান্য অনুষদের বই রয়েছে। যাতে পুরাতন বইয়ের সংখ্যা বেশি। পুরো তাক খুঁজেও আমার বিভাগের কোনো বই পাই নি।”

শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের প্রাধ্যক্ষ ড. প্রফেসর আসাবুল হক গ্রন্থাগারের নতুন বইয়ের সংকট প্রসঙ্গে  বলেন, ছোট গ্রন্থাগারে সব বই রাখা সম্ভব না, তবে শিক্ষার্থীদের যেসব বইয়ের সংকট তা জানালে নতুন বইয়ের যোগান দেয়া সহজ হবে।

এ বিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহম্মদ মিজানউদ্দিন বলেন, শিক্ষা জাতির শক্তি। আর শিক্ষার্থীদের এ শক্তি বৃদ্ধির জন্য গ্রন্থাগারের সকল সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে দ্রুত নির্দেশ দেওয়া হবে।