Anudhyan Mass Communication and Journalism
University of Rajshahi
A practice news portal of Department of Mass Communication & Journalism of University of Rajshahi
শিরোনাম
মার্কেটিং বিভাগে শিক্ষাবৃত্তির জন্য ৫০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মাহবুবুল আলম রাজাবর্ণিল ও বিচিত্র আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নববর্ষ ১৪২৬ উদযাপিত হয়েছেশেষ হলো সপ্তাহব্যাপী ডেটা জার্নালিজম কর্মশালা‘ ডেটা জার্নালিজম ইন নিউজরুম: হাউ টু ইউজ ডেটা ফর এ গুড স্টোরি‘ কর্মশালার পঞ্চম দিনে শিক্ষার্থীরা অনলাইন সংবাদ-সাইট থেকে ডেটা সংগ্রহ, ডেটা তৈরি এবং সে ডেটা আবার নতুন রূপে উপস্থাপন করার কৌশল শিখেছেন

অন্যের জবাবদিহিতা চাইতে প্রয়োজন দায়িত্বশীল গণমাধ্যম: আলী রীয়াজ

অনুধ্যান প্রতিবেদক

অনুধ্যান

প্রকাশিত : ১১:০৬ পিএম, ২ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার

অন্যের জবাবদিহিতা চাইতে প্রয়োজন দায়িত্বশীল গণমাধ্যম: আলী রীয়াজ

অন্যের জবাবদিহিতা চাইতে প্রয়োজন দায়িত্বশীল গণমাধ্যম: আলী রীয়াজ

রফিকুল ইসলাম:‘অন্যের জবাবদিহিতা চাওয়ার আগে গণমাধ্যমকে নিজেকে দায়িত্বশীল হতে হবে। গণমাধ্যমকে জনগণের কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে। আমি ফোন হাতে নিয়ে কিছুÿণের মধ্যে ওয়েবসাইট খুলতে পারি। এরপর একটা নিউজ নাম দিলেই হবে না। গণমাধ্যম হিসেবে দাবি করতে হলে আগে নিজের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শুক্রবার বিকেলে ৫টায় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ আয়োজিত ‘মিডিয়া ও গণতন্ত্র’ শীর্ষক একক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ।

আলোচনা অনুষ্ঠানে ড. আলী রীয়াজ আরো বলেন, সবচেয়ে বড় দায়িত্বশীলতা হচ্ছে সত্যবাদিতা। সবসময় সরাসরি সত্যটা বের করতে না পারলেও আপনি অন্তত ফ্যাক্টটা বলুন। সত্যের মৌল হচ্ছে ফ্যাক্ট। সুতরাং আপনি ফ্যাক্ট থেকে দূরে চলে গেলে চলবে না।’

গণমাধ্যমকে সিভিল সোসাইটির অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার বা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করার বাইরে গিয়ে মাঝামাঝি জায়গাটায় অবস্থান করা হলো সিভিল সোইসাইটির কাজ। গণমাধ্যম নিজেও সিভিল সোসাইটির অংশ। এ জায়গায় দায়িত্বশীল হয়ে গণমাধ্যমকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও সংহত করতে ভূমিকা পালন করতে হবে।’

বিবিসি’র সাবেক সাংবাদিক আলী রীয়াজ বলেন, গণতন্ত্র ও  গণমাধ্যমের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু গণমাধ্যমের মাধ্যমে গণতন্ত্র কায়েম করা সম্ভব নয়। এটা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সহায়ক হতে পারে। প্রত্যেক গণমাধ্যমের আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে কিন্তু তাদের মধ্যে একটা মৌলিক বৈশিষ্ট হলো তারা সবাই সংখ্যালঘুদের অধিকার আদায়ের কাজ করছে। এখানে এই সংখ্যালঘুদের ধারণা শুধু ধর্ম বা জাতি ভিত্তিক নয় বরং আরো বৃহৎ কিছু।

ড. আলী রীয়াজ আরো বলেন, ‘আমি বলবো, সংখ্যালঘুর অধিকার নিশ্চিত হলেই বোঝা যাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত। অন্যথায় বুঝতে হবে কোথাও সমস্যা আছে। আনুষ্ঠানিক গণতন্ত্র থাকছে কিন্তু গণতন্ত্রের মর্ম থাকছে না। এই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে গণতেন্ত্রর যে সব বিষয় কার্যকর আছে তা কাজে লাগিয়ে সত্যিকার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালাতে হবে।’

আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের সভাপতি ড. প্রদীপ কুমার পাণ্ডে। প্রফেসর ড. আলী রীয়াজের আলোচনার পর উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্বে অন্যান্যের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলানিউজের হেড অব নিউজ মাহমুদ মেনন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মামুন আব্দুল কাইউম প্রমুখ।

সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মশিহুর রহমান, শাতিল সিরাজ, সহকারী অধ্যাপক আমেনা খাতুন, মাহাবুর রহমান, প্রভাষক সোমা দেব প্রমুখ। আলোচনা অনুষ্ঠানে বিভাগের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।